Monday, August 3, 2026
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক সংবাদঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের লেখক কর্মশালা ও যোগাযোগ দিবস অনুষ্ঠিত

ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের লেখক কর্মশালা ও যোগাযোগ দিবস অনুষ্ঠিত

খ্রিষ্টান সমাজে দক্ষ, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল লেখক গড়ে তোলা এবং সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার বার্তা মানুষের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘লেখক কর্মশালা ও বিশ্ব যোগাযোগ দিবস’।
গত ৩০ জুলাই ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের আর্চবিশপস হাউজ হল রুমে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় সামাজিক যোগাযোগ কমিশন আয়োজিত এ কর্মশালার প্রতিপাদ্য ছিল ‘খ্রিষ্টীয় সমাজে দক্ষ ও সৃজনশীল লেখক গড়ে তোলা ও যোগাযোগ দিবসের বাণী সহভাগিতা’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল বিশপ বিজয় এন. ডি ক্রুজ, ওএমআই। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফাদার প্যাট্রিক ড্যানিয়েল গ্যাফনি, সিএসসি, রমনা ক্যাথিড্রাল ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার ডেভিড গমেজ, বিশপস হাউজের রেক্টর ফাদার আলবাট টমাস রোজারিও। এছাড়া ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের সমন্বয়কারী ফাদার বুলবুল আগষ্টিন রিবেরু, সেক্রেটারি ফাদার বিশ্বজিৎ বর্মন, কমিশন সদস্য মি. চন্দন গমেজ, ফাদার শিশির কোড়াইয়াসহ কমিশনের অন্যান্য সদস্য-সদস্যাবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় মোট ৫০ জন অংশগ্রহণকারী অংশ নেন।

কমিশন সেক্রেটারি ফাদার বিশ্বজিৎ বর্মনের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রার্থনা পরিচালনা করেন ফাদার শিশির কোড়াইয়া। পরে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশপ বিজয় বলেন, লেখনী শুধু তথ্য প্রকাশের মাধ্যম নয়; এটি মানুষের চিন্তা ও হৃদয়কে প্রভাবিত করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। একজন খ্রিষ্টীয় লেখকের লেখায় সত্য, ভালোবাসা, আশা, ন্যায়বোধ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন। বর্তমান সময়ে গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অসত্যের বিস্তারের মধ্যে খ্রিষ্টীয় লেখকদের সত্য ও নৈতিকতার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিতে হবে। তিনি অংশগ্রহণকারীদের নিয়মিত পড়াশোনা, পর্যবেক্ষণ ও অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের লেখনীকে উন্নত করার আহ্বান জানান।
ফাদার প্যাট্রিক বলেন, একজন ভালো লেখক হওয়ার জন্য শুধু ভাষাজ্ঞান যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন গভীরভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা, বিষয়কে উপলব্ধি করার দক্ষতা এবং মানুষের জীবন ও বাস্তবতাকে কাছ থেকে দেখার মানসিকতা। তিনি তরুণ লেখকদের নতুন নতুন বিষয় নিয়ে পড়াশোনা, গবেষণা ও প্রশ্ন করার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধকে আধুনিক যোগাযোগের ভাষায় উপস্থাপন করার জন্য সৃজনশীলতার চর্চারও আহ্বান জানান তিনি।
স্বাগত বক্তব্যে ফাদার বুলবুল বলেন, বর্তমান সময়ে যোগাযোগের মাধ্যম দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন সংবাদ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম মানুষের চিন্তা, বিশ্বাস ও জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। তাই খ্রিষ্টীয় সমাজের জন্য এমন লেখক ও যোগাযোগকর্মী প্রয়োজন, যারা সত্যনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল, সৃজনশীল এবং মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে এমনভাবে খ্রিষ্টের বাণী তুলে ধরতে সক্ষম। তিনি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয়ভাবে শেখার পাশাপাশি নিজেদের লেখনীকে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।
এসময় অন্যান্য বক্তারা গণমাধ্যমে যীশুর বাণী, সুসমাচার ও খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সংবাদ পরিবেশনে সত্য, নৈতিকতা, মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এসময় তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আধুনিক প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগিয়ে সুসমাচার প্রচার ও সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের পর কর্মশালার প্রথম অধিবেশনে ‘লেখালেখি এবং ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের ভাবনা’ শীর্ষক বিষয়ে আলোচনা করেন ফাদার বুলবুল। এরপর অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সন্ধ্যায় দ্বিতীয় অধিবেশনে ‘সংবাদ ও ফিচার লিখন’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন উকানিউজের বার্তা সম্পাদক মি. রক রোনাল্ড রোজারিও। অধিবেশনে সংবাদ ও ফিচারের পার্থক্য, সংবাদ লেখার কাঠামো, তথ্য সংগ্রহ, শিরোনাম নির্বাচন, প্রতিবেদনের ভাষা, সংবাদমূল্য এবং পাঠকের উপযোগী করে লেখা প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রথম দিনের শেষ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে একটি ব্যবহারিক অনুশীলন পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে অংশগ্রহণকারীদের চারটি দলে বিভক্ত করে দুটি ফিচার ও দুটি সংবাদ লেখার জন্য বিষয় ও শিরোনাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। প্রতিটি দল নির্ধারিত বিষয়ের ওপর নিজেদের মতো করে লেখা প্রস্তুত করে। এরপর এক দল অন্য দলের লেখা পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করে এবং লেখার ভালো দিক, সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন নিয়ে মতামত প্রদান করে।
ব্যবহারিক পর্বটি পরিচালনা করেন ফাদার বুলবুল। তিনি দলগুলোর প্রস্তুতকৃত লেখা মূল্যায়ন করেন। পাশাপাশি সংবাদ ও ফিচার লেখার ক্ষেত্রে ভাষার ব্যবহার, তথ্যের যথার্থতা, শিরোনাম নির্বাচন, উপস্থাপনার ধরন ও লেখার কাঠামো নিয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের লেখায় সংশোধনের দিকগুলো চিহ্নিত করে আরও সুন্দর, স্পষ্ট ও পাঠকবান্ধব লেখার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এদিকে লেখালেখির মাধ্যমে সমাজ, মণ্ডলী ও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং মূলধারার গণমাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু হয় সকালের প্রার্থনার মধ্য দিয়ে।
এরপর ‘কবিতা ও এর লিখন কৌশল’ শীর্ষক অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনটি পরিচালনা করেন বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী। কবিতা লেখার মৌলিক কৌশল, ভাবনা ও ভাষার ব্যবহার, শব্দচয়ন এবং কবিতাকে পাঠকের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের কবিতা লেখার ব্যবহারিক অনুশীলন করানো হয়।
দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনের শিরোনাম ছিল- ‘মনের সুখে গল্প লিখি: প্রসঙ্গ ছোট গল্প’। এতে ড. তপন অংশগ্রহণকারীদের ছোট গল্পের কাঠামো, চরিত্র নির্মাণ, কাহিনীর গতি, সংলাপ এবং গল্পের সমাপ্তি সম্পর্কে ধারণা দেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের অভিজ্ঞতা, চারপাশের মানুষ ও সমাজের নানা ঘটনা থেকে গল্পের উপাদান খুঁজে নেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করেন।
দুপুরের পর অনুষ্ঠিত হয় ‘অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লেখালেখি’ শীর্ষক। এতে অংশ নেন এসএ টিভির নির্বাহী সম্পাদক প্যাট্রিক ডি’কস্তা, কমিশনের সমন্বয়কারী ফাদার বুলবুল আগষ্টিন রিবেরু, রবার্ট বিপুল রায় এবং নিউটন মণ্ডল।
অধিবেশনের শুরুতে প্যাট্রিক ডি’কস্তা একজন লেখক-লেখিকা হিসেবে কীভাবে সফল হওয়া যায় এবং মূলধারার গণমাধ্যমে কীভাবে কাজের সুযোগ তৈরি করা যায়- সেসব বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য শুধু লেখার আগ্রহ থাকলেই হবে না; একইসঙ্গে নিয়মিত চর্চা, ভাষার ওপর দক্ষতা, বিষয় নির্বাচন, তথ্য যাচাই, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা এবং পাঠকের প্রয়োজন বোঝার সক্ষমতাও প্রয়োজন।
তিনি মূলধারার গণমাধ্যমে কাজ করার ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, সময়ানুবর্তিতা, সংবাদমূল্য বোঝা এবং সম্পাদনার শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দেন। একইসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমে কাজ করতে গিয়ে একজন লেখককে যে প্রতিযোগিতা, সময়ের চাপ, নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ, সম্পাদকীয় নীতি ও পেশাগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়- সেগুলোও তুলে ধরেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মূলধারার সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অন্যান্য গণমাধ্যমে নিজেদের লেখার দক্ষতা তুলে ধরার জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
ফাদার বুলবুল বিশ্ব যোগাযোগ দিবসের বাণী এবং পোপ মহোদয় কীভাবে ও কখন এ বাণী প্রকাশ করেন, তার পটভূমি ও তাৎপর্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্ব যোগাযোগ দিবস কেবল একটি দিবস উদযাপনের বিষয় নয়; বরং গণমাধ্যমের মাধ্যমে সত্য, মানবিকতা, শান্তি ও সুসমাচারের মূল্যবোধ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। পোপের বিশ্ব যোগাযোগ দিবসের বাণী মণ্ডলীর বিভিন্ন পর্যায়ে সহভাগিতা করা এবং তা মানুষের কাছে সহজ ভাষায় তুলে ধরা যোগাযোগ কমিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এসময় তিনি বিশ্ব যোগাযোগ দিবসের বাণী শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্যারিশ বা ধর্মপল্লী, বিভিন্ন খ্রিষ্টীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যমের মাধ্যমে বৃহত্তর সমাজের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
রবার্ট বিপুল রায় তাঁর বক্তব্যে ‘আমি কেন ফেসবুকে লিখি’ এই বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই করা, ভাষার প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে এমন বিষয় থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে নিজের বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও জীবন-অভিজ্ঞতাকে সৃজনশীল লেখার মাধ্যমে মানুষের কাছে তুলে ধরার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
শেষ পর্বে নিউটন মণ্ডল লেখকদের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে লেখালেখির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি মণ্ডলী পরিচালিত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, প্রাতিষ্ঠানিক সংবাদমাধ্যম এবং ব্যক্তিগত সংবাদমাধ্যমে লেখালেখির সুযোগ সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেন। ধর্মপল্লীর সংবাদ, মণ্ডলীর বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম, সাক্ষাৎকার, ফিচার, ব্যক্তিত্বের প্রোফাইল, মতামত, আধ্যাত্মিক লেখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট, ওয়েবসাইট, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, নিউজলেটার, সাময়িকী ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে লেখার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি লেখকদের উদ্দেশে বলেন, ‘লেখার জন্য সুযোগের অপেক্ষা না করে লেখার মাধ্যমে নিজের সুযোগ তৈরি করতে হবে।’ নিয়মিত লেখার চর্চা, ভালো লেখা পড়া, তথ্য অনুসন্ধান, ভাষার শুদ্ধতা এবং নিজের লেখাকে পাঠকের কাছে উপযোগী করে তোলার মাধ্যমে একজন লেখক ধীরে ধীরে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করতে পারেন।
বিকেলে পবিত্র খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন কমিশনের সদস্য ফাদার শিশির কোড়াইয়া। এতে ফাদার বুলবুল বাণী সহভাগিতা করেন। এসময় তিনি অংশগ্রহণকারীদের সত্য, ন্যায়, ভালোবাসা ও সুসমাচারের মূল্যবোধকে সামনে রেখে যোগাযোগের দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, লেখনী ও গণমাধ্যমকে মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য নয়, বরং মানুষকে সত্যের পথে, ভালোবাসার পথে এবং পরস্পরের কাছাকাছি নিয়ে আসার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।
খ্রিষ্টযাগ শেষে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আর্চবিশপ থিওটোনিয়াস অমল গাঙ্গুলীর কবরস্থানে গিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন। এসময় অংশগ্রহণকারীরা তাঁর অবদান ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন। পরে বিশ্ব যোগাযোগ দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের সদস্যদের সহযোগিতায় কেক কাটার মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপ্তি ঘটে।
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular