দিলীপ ভিনসেন্ট গমেজ: পবিত্র খ্রিষ্টযাগ অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিডব্লিউপিএন বাংলাদেশ-এর বৃহত্তর ঢাকা শহর অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সেমিনার। গত ২২ আগস্ট মোহাম্মদপুরে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারের প্রতিপাদ্য ছিল “পবিত্র খ্রিষ্টযাগই জীবনের মূল ও আশার উৎস”।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন বাংলাদেশ জেজুইট সংঘের সুপিরিয়র ফাদার রিপন রোজারিও, এসজে এবং তাঁকে সহযোগিতা করেন সেন্ট খ্রীষ্টিনা গির্জার পুরোহিত ফাদার কাজল পিউরীফিকেশন। পরে সকাল ১০টায় সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে উদ্বোধনী নৃত্যের মাধ্যমে সেমিনারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
নয়টি ধর্মপল্লীর আগত প্রতিনিধিদের নিয়ে সেমিনারের উদ্বোধন করেন পিডব্লিউপিএন বাংলাদেশ-এর ডিরেক্টর ব্রাদার সুবল এল, রোজারিও, সিএসসি, সেমিনারের আহ্বায়ক সিস্টার কল্পনা কস্তা, সিএসসি এবং ফাদার রিপন রোজারিও, এসজে।
সেমিনারে ব্রাদার সুবল পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে পিডব্লিউপিএন-এর ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “পিডব্লিউপিএন হলো পোপের সাথে একান্ত হয়ে সারাবিশ্বের মানুষের জন্য প্রার্থনা করার এক মহা আন্দোলন। এ আন্দোলন শুরু হয়েছিল ১৮৪৪ সালে সুদূর ফ্রান্স দেশে এবং চলতি বছর সেখানে ১৮০ বছরের জুবিলি উদযাপন করা হয়।”
ব্রাদার সুবল আরও বলেন, “বাংলাদেশ পিডব্লিউপিএন-এর যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে। প্রথমে দায়িত্বে ছিলেন ফাদার মিল্টন জে, রোজরিও। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ বিশপ সম্মিলনী আমার কাছে এর দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। বর্তমানে ৯০টি দেশ পিডব্লিউপিএন-এর সদস্য। বাংলাদেশ এর সর্বশেষ সদস্য দেশ।”
সেমিনারে প্রার্থনার গুরুত্ব তুলে ধরে ফাদার রিপন বলেন, “গভীর বিশ্বাস ও ভক্তি নিয়ে আমাদের প্রতিদিন প্রার্থনা করতে হবে।” এসময় তিনি বিশ্বাসপূর্ণ প্রার্থনার কিছু বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “পবিত্র খ্রিষ্টযাগে দেহ, মন ও আত্মা পরিশুদ্ধ হয়। আর খ্রিষ্টপ্রসাদ গ্রহণ হলো খ্রিষ্টভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রার্থনা।”
এরপর পর্যায়ক্রমে সুবাস আগষ্টিন পিউরীফিকেশন-এর পরিচালনায় দলীয় আলোচনা এবং দাঁড়িয়ে একযোগে গান গাওয়ার মাধ্যমে সেমিনারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হয়। এতে সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চিত্রা রোজারিও এবং ববি রিবেরু।







